প্রতিবছর মকর সংক্রান্তির সময় (জানুয়ারীর মাঝামাঝি) এখানে আয়োজিত গঙ্গা সাগর মেলা কুম্ভ মেলার পরে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় মেলা হয়। শীতকালীন শীতকালীন মৌসুম সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যক ভক্ত গঙ্গা নদীতে ডুবে রয়েছে। কপিল মুনি মন্দির এখানে আরও একটি বড় আকর্ষণ।

গঙ্গাসাগরে কীভাবে পৌঁছবেন ? আপনি কীভাবে গঙ্গাসাগর পরিদর্শন করবেন, গঙ্গাসাগরে দেখার জন্য স্থানগুলি, গঙ্গাসাগর দেখার জন্য সেরা সময়, গঙ্গাসাগরে কত দিন কাটানো হবে, গঙ্গাসাগরে কী কী জিনিস আছে , গঙ্গাসাগরের ভ্রমণপথ এবং গঙ্গাসাগরের ভ্রমণের ব্যয় কী তা এই ভিডিওতে আপনি জানবেন।এই ভিডিওটি দেখার পরে আপনি গঙ্গাসাগরের নিজস্ব ভ্রমণপথ তৈরি করতে এবং গঙ্গাসাগরের ভ্রমণের ব্যয় প্রস্তুত করতে সক্ষম হবেন।আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা। মেলায় আগত লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীদের সাহায্যে এবার আরও সক্রিয় রাজ্য সরকার। পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য তৈরি হয়েছে ১১ লক্ষ শৌচাগার, ৩০০ বেডের অস্থায়ী হাসপাতাল। নিরাপত্তার জন্য লাগানো হয়েছে এক হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা। এছাড়া কোনও আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে তা মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন। থাকছে দু’টি হেলিকপ্টার। পুণ্যার্থীদের সাগরে আসার জন্য তিন হাজারের বেশি বাস চালাচ্ছে রাজ্য সরকার। বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে রেলও।ঙ্গাসাগর মেলার জন্য এ বছর মোবাইল অ্যাপ তৈরি করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ। ভিড় সামাল দেওয়া, যাত্রীদের নিরাপত্তা তো বটেই, যাত্রীরা ওই অ্যাপ থেকে মেলার খুঁটিনাটি তথ্যও জানতে পারবেন। 

সাধারণ যাত্রীরা যেমন অ্যাপ ব্যবহার করবেন, মেলায় নজরদারির জন্য প্রশাসন এ বার একটি বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক পি উলগানাথন। ‘সাগর সুরক্ষা’ নামের ওই সফটওয়্যারের সাহায্যে মেলার রিয়েল টাইম পরিস্থিতি জানা যাবে। তীর্থযাত্রীদের ভিড় থেকে শুরু মেলার সেই মুহূর্তের হাতেগরম পরিস্থিতি জানা যাবে ওই সফটওয়্যারের মাধ্যমে। মেলায় ব্যবহৃত সব যানবাহনে জিপিএস ট্র্যাকার। তার ফলে যানবাহনের অবস্থান যেমন জানা যাবে, তেমন অহেতুক যান-জটও ঠেকানো যাবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

জেলাশাসক পি উলগানাথন জানিয়েছেন, ‘রিয়েল টাইম মনিটরিং সিস্টেম’ সফটওয়্যার সাগর সুরক্ষায় থাকবে ‘ওভার ক্রাউড অ্যালার্ট’, ‘ট্রেসপাসিং অ্যালার্ট’, ‘ক্রাউড গ্যাদারিং অ্যালার্ট’ এবং ‘স্মোক অ্যালার্ট’। যার মাধ্যমে প্রশাসনের নখদর্পণে থাকবে মেলাপ্রাঙ্গণে এবং যাতায়াতের পথে জেটিগুলিতে পূণ্যার্থীদের অতিরিক্ত ভিড় রয়েছে কিনা এবং কোথাও কোনও অবৈধ প্রবেশ ঘটছে বা ঘটেছে কিনা। 

জেলা প্রশাসন মনে করছে, এর ফলে বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সতর্ক হতে পারবে প্রশাসন। কোথাও কোনও আগুন লাগার ঘটনা ঘটলেও সে সম্পর্কে প্রশাসনকে সতর্ক করবে ‘সাগর সুরক্ষা’। এর আগে গঙ্গাসাগর মেলায় পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক যাঁরা থাকবেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হচ্ছে একটি মোবাইল অ্যাপও। গঙ্গাসাগরের যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য সাহায্য নেওয়া হবে ‘স্মার্ট মনিটরিং টেকনোলজির’। যার মাধ্যমে সমগ্র মেলাপ্রাঙ্গণে নজর রাখবে প্রশাসন। শুধু তাই নয় ‘অতিথি পথ’ নামে আরও একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি হচ্ছে। যার মাধ্যমে মেলা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য পাওয়া যাবে। সকলেই গুগল প্লে স্টোর থেকে এই অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারবেন। এই অযাপ তেকে জানা যাবে কপিল মুনির মন্দিরে পুজোর যাবতীয় তথ্য। ডানা যাবে জোয়ার-ভাটার সময়, যানবাহন ও ফেরির ভাড়া ও সময় সংক্রান্ত নানা তথ্য। মেলা প্রাঙ্গণে আসার পথনির্দেশও এই অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে। গঙ্গাসাগর ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ সম্পর্কেও জানা যাবে অ্যাপটির মাধ্যমে। 

অ্যাপটি ব্যবহারের সময় ব্যবহারকারীর সেই সময়ের ভৌগোলিক অবস্থান জানতে পারবে প্রশাসন। যার ফলে ওই অ্যাপ ব্যবহারকারীর কোনও বিপদ বা অসুবিধা হলে তাঁকে খুঁজতে সময় ব্যয় অনেক কম হবে। 

জেলাশাসক আরও জানান, মেলায় থাকছে ‘বাহন ট্র্যাকার’। অর্থাৎ, মেলা চলাকালীন সমস্ত গাড়ির অবস্থান প্রশাসনের কাছে থাকবে।  মেলার কাজে যুক্ত থাকা বাস ও ফেরি বা অন্যান্য যানবাহন কোথাও অযথা দাঁড়িয়ে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে পারবে পুলিশ। তার জন্য মেলায় যুক্ত সব গাড়িতে জিপিএস যন্ত্র বসানো হবে। 

কোলকাতা থেকে গঙ্গা সাগর তীর্থে কীভাবে পৌঁছবেন ? গঙ্গা সাগর দ্বীপে রুট, ফেরি পরিষেবা, বাস এবং ট্রেনের সময় সম্পর্কে তীর্থ যাত্রীদেরকে তথ্য সরবরাহ করার জন্য….

গঙ্গা সাগর দ্বীপ:
সাগর দ্বীপ বা গঙ্গা সাগর তীর্থ ধাম হিন্দু তীর্থযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে বঙ্গোপসাগরে পবিত্র গঙ্গা নদী মিলিত হয়েছে। লোকেরা পবিত্র গঙ্গা নদীতে ডুবিয়ে কপিল মুনি মন্দিরে প্রার্থনা করে।

এখানে একটি জনপ্রিয় ট্যাগলাইন রয়েছে যা : ”সব তীর্থ বার বার গঙ্গা সাগর এক বার ||”যার অর্থ একবারে গঙ্গা সাগর ভ্রমণে অর্জিত আশীর্বাদগুলি অন্যান্য তীর্থস্থানগুলি কয়েকবার ঘুরে দেখার পূর্ণ দ্বারা প্রাপ্তদের সমান। 

অবস্থান:
গঙ্গা সাগর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতা দক্ষিণে প্রায় ১১০ কিমি দূরে অবস্থিত। দ্বীপটি ‘সাগরদ্বীপ’ নামেও পরিচিত। নিকটতম প্রধান শহর এবং বিমানবন্দর হল কলকাতার দমদম, কলকাতা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস বিমানবন্দর ভারতের প্রায় সব বড় শহরগুলিতে সংযোগ সরবরাহ করে।

কিভাবে পৌছব:
গঙ্গা সাগর পৌঁছানোর জন্য কাকদ্বীপ বা নামখানা শহর থেকে ফেরি পরিষেবা নিতে হবে।
কাকদ্বীপ এবং নামখানা কলকাতা থেকে যথাক্রমে ৯২ কিমি এবং ১০৪ কিমি দূরে অবস্থিত। রেলওয়ে বা রোডওয়ে দিয়ে কাকদ্বীপ এবং নামখানা পৌঁছে যেতে পারে।

কাকদ্বীপ এবং নামখানা উভয়ের কাছে পৌঁছানোর ট্রেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ফেরি পরিষেবাগুলির সময়কে মাথায় রেখে। এই উভয় শহরেই ফেরি সার্ভিস পয়েন্ট রেল স্টেশনগুলির কাছেই অবস্থিত। ট্যাক্সিগুলি পাশাপাশি বাস পরিষেবাগুলি এই ফেরি সার্ভিস পয়েন্টে পৌঁছতে কলকাতা থেকে পাওয়া যায়।

দয়া করে নোট করুন যে প্রদত্ত সময়গুলি রয়েছে। জোয়ার এবং ভাটার কারণে সময়টিতে ছোটখাটো পরিবর্তনগুলি লক্ষ্য করা যায়।

ফেরি পরিষেবা, বাস এবং ট্রেনের সময় গঙ্গাসাগর দ্বীপে পৌঁছানোর :

  • কাকদ্বীপ (হারউড পয়েন্ট) থেকে কচুবেড়িয়া – 9.30 AM, 10.15 AM, 1.00 PM, 2.00 PM, 4.00 PM, 8.00PM
  • নামখানা থেকে বেনুবন – সকাল 8.45 AM, 10.45 AM, 12.30 PM, 3.15 PM, 4.00 PM

গঙ্গাসাগর দ্বীপ থেকে ফেরির সময়:

  • কচুবেড়িয়া থেকে কাকদ্বীপ (হারউড পয়েন্ট) – 9.00 AM, 9.30 AM, 12.30 PM, 2.30 PM, 3.30 PM, 8.00 PM
  • বেনুবন থেকে নামখানা – 5..৩০ পূর্বাহ্ণ, ৮.২০ পূর্বাহ্ণ, ১২.৪৫ PM, ২.৪৪ PM, ৪.০০ অপরাহ্ন

কলকাতা থেকে নামখানা এবং কাকদ্বীপের ট্রেনগুলি:

  •     শিয়ালদহ থেকে নামখানা স্থানীয় (34792)
        প্রস্থান: 1.20 PM
        কাকদ্বীপ: ৩.৪৪ PM
        নামখানা আগমন: ০.০২ PM
  •     শিয়ালদহ থেকে কাকদ্বীপ স্থানীয় (34782)
        প্রস্থান: 8.30 PM
        কাকদ্বীপ: 10.56 pm
  •     শিয়ালদহ – নামখানা গ্যালোপিং লোকাল (34794)
        প্রস্থান: 9.30 PM
        কাকদ্বীপ: 11.56 pm
        নামখানা: 12.15 AM

কাকদ্বীপ এবং নামখানা থেকে কলকাতা যাওয়ার ট্রেনগুলি:

  •     নামখানা থেকে শিয়ালদহ গ্যালোপিং লোকাল (34791)
        নামখানা প্রস্থান: ৪.১০ AM
        কাকদ্বীপ: 4.23 AM
        কলকাতার আগমন: 6.52 AM
  •     নামখানা থেকে শিয়ালদহ স্থানীয় (34793)
        নামখানা প্রস্থান: ৪.৩৩ PM
        কাকদ্বীপ: 4.51 pm
        কলকাতার আগমন: সন্ধ্যা 20.২০

শিয়ালদহ দক্ষিণ থেকে কাকদ্বীপ পর্যন্ত নামখানা স্থানীয় যান।

ট্রেন ভাড়া: প্রায় 25/- প্রায়। কাকদ্বীপ স্টেশন পৌঁছানোর সময়: 2 ঘন্টা 30 মিনিট শিয়ালদহ থেকে বেড়ানোর জন্য সেরা ট্রেন হল 05:12 AM নামখানা লোকাল বা যদি আপনি মিস করেন তবে 07:15 AM নামখানা লোকাল

কাকদ্বীপ রেলওয়ে স্টেশন পৌঁছানোর পরে, জেটি ঘাট ভাড়া পৌঁছানোর জন্য একটি টোটো নিন: 10–15/-টাকা], সময় নেওয়া: 10-15 মিনিটের সর্বোচ্চ, সাগর দ্বীপের (কচুবেড়িয়া জেটির ঘাটের জন্য) ফেরি (ভেসেল) নিন। ভাড়া: 40/-[ মেলার সময়] 10 /-টাকা, সময় নেওয়া: 35-40 মিনিট
কচুবেড়িয়া জেটি ঘাটে পৌঁছে যাবেন,গঙ্গাসাগর পৌঁছানোর জন্য বাস বা অন্য কোনও টোটো বা গাড়ি নিন। ভাড়া: প্রতি হেড প্রতি বাসের জন্য 35/- টাকা। ম্যাজিক কার- প্রতি জনপ্রতি 100/- , ১ নং জেটি আছে গাড়ী পারাপার করার জন্য। কেউ যদি কলকাতা থেকে নিজস্ব গাড়ী করে আসেন, তাহলে সেই গাড়ী করেই ১ নং জেটি দিয়েই গাড়ী পার করে সরাসরি গঙ্গাসাগর যেতে পারেন। আগে এলে আগে এই হিসেবে গাড়ি পার হয়। কেউ বাইক নিয়েও সাধারণ যাত্রী বাহী ভেসেলই বাইক পারাপার করতে পারেন। বাইকের জন্য টিকিট কাটতে হবে। সাগর দ্বীপের উত্তর প্রান্ত কুচবেড়িয়া ফেরীঘাট, ওখান একটু হেঁটে এগিয়ে গেলে পড়বে গঙ্গাসাগর যাবার বাসস্ট্যান্ড। ঘাট থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত হেঁটে যাবার পথে দুইধারে সারি সারি প্রাইভেট গাড়ী দাঁড়িয়ে থাকে, গাড়ীগুলি এখান (কচুবেড়িয়া) থেকে ৩০ কিমি দূরে গঙ্গাসাগরে নিয়ে যায়,৪০০ -৬০০ , আসাযাওয়া ভাড়া মোটামুটি 300 থেকে 1400 টাকা, গাড়ীর প্রকারভেদ অনুযায়ী।

একই পথে প্রত্যাবর্তনের জন্য:

  • কচুবেড়িয়া ঘাটে পৌঁছানোর জন্য বাসটি ধরুন
  • জেটি ঘাট নং -8 এ পৌঁছানোর জন্য সেখান থেকে ফেরি নিয়ে যান
  • কুকদ্বীপ রেলওয়ে স্টেশন পৌঁছতে টোটো বা গাড়ি বা টুক টুক নিন

শিয়ালদহ পৌঁছানোর জন্য সেখান থেকে লোকাল নিন (কাকদ্বীপ থেকে ট্রেনের সময়) শিয়ালদাতে হ’ল: 1:46 অপরাহ্ণ, 3:13 PM, 4:51 PM, 5:48 PM  

বাস : ধর্মতলা থেকে বাসে কাকদ্বীপ আবার কাকদ্বীপ থেকে বাসে ধর্মতলা ভাড়া 60 টাকা। সময় :প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টা

থাকার জায়্গা :

  • ভারত সেবাশ্রমে থাকতে পারেন। স্পট বুকিং করেতে পারেন।
  • ওঙ্কারনাথ মঠ ,
  • স্থানীয় পঞ্চায়েত পরিচালিত সাগর কটেজে 

ভাড়া কমবেশি Rs. 100 – 600/- ভালো।

কীভাবে গঙ্গাসাগরকে সহজে ক্রুজ পরিষেবা পৌঁছানো যায় –কলকাতা থেকে গঙ্গাসাগর মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় ,……বিলাসবহুল জাহাজে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা কলকাতা থেকে পৌঁছে যাবেন গঙ্গাসাগরে। রোজ সকাল সাতটায় মিলেনিয়াম ঘাট থেকে জাহাজ ছাড়বে। সাগরের কচুবেড়িয়া ঘাটে পৌঁছে যাবে সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে। সুন্দরবনগামী পর্যটকদের পৌঁছে দেওয়া হবে নামখানায়।

ফেরার সময় কচুবেড়িয়া থেকে ছাড়বে বিকেল তিনটে থেকে চারটের মধ্যে। সন্ধে ৭-৮টার মধ্যে পৌঁছবে কলকাতায়। সপ্তাহে সাতদিনই এই পরিষেবা মিলবে। মাথাপিছু খরচ মাত্র এক হাজার টাকা। কলকাতা থেকে গঙ্গাসাগরের মধ্যে নদীপথে যাত্রী পরিবহণের জন্য একটি বিলাসবহুল জাহাজ যাতে পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ১৫৬টি আসন রয়েছে। https://www.wbtourismgov.in/destination/place/gangasagar