দীর্ঘ বছর ধরে উনি দক্ষিণ কলিকাতার যাদবপুর, বাঘাযতীন, রাণিকুঠি, পল্লিশ্রী, বিজয়গড়, নেতাজীনগর, বাঁশদ্রোণী, কুঁদঘাট ,টালিগঞ্জ,গড়িয়া, করুনাময়ী, পাটুলি, গাঙ্গুলিবাগান, হরিদেবপুর, সোদপুর, মুচিপাড়া, যাদবপুর, সুলেখা, সন্তোষপুর, বেহালা সহ বিস্তির্ণ অংশের মানুষ ওনার চিকিৎসার আওতাধীন হয়েছেন।

এছাড়া উনি , আর.এন টেগোর হসপিটাল, রুবী জেনারেল হসপিটাল, জেনেসিস হসপিটাল, আর এস ভি হসপিটাল, আইরিস হসপিটল, হিন্দস্থান এইচ পয়েন্ট …… সহ বিভিন্ন হসপিটলের সঙ্গে যুক্ত। উনি একজন Consultant Physician & Diabetologist

মাঝবয়সী, সদাহাস্য, মিষ্টভাসী ডঃ শান্তনু ব্যানার্জী অঞ্চলে খুব জনপ্রিয় একজন ডাক্তার। ওনার চিকিৎসায় সন্তুষ্ট নয় এমন রোগী পাওয়া দুষ্কর। রোগ নিয়ে রুগীকে ঘাবড়ে দেন না। বরং সাহস যোগান। রোগীদের সাথে খুব আন্তরিক উনি। খুব যত্ন সহকারে চিকিৎসা করেন। শুধু চিকিৎসাই নয়। অনেক সময় ঔষধের স্যাম্পেলও বিনে পয়সায় দিয়ে দেন। পেশাগত ভাবে প্রফেশনাল অথচ মানষিকতা বাণিজ্যিক নয়। তাই তো ওনার সমবয়সী,জুনিয়র ডাক্তার ও প্রফেসাররা এক বাক্যে ডঃ শান্তনু ব্যানার্জীর প্রশংসা করেন। সমাজের বেশ কিছু গুনী মানুষ ও বিশিষ্ট ব্যাক্তি ওনার রোগী।

শুধু ডাক্তার হিসেবেই নয়। উনি একজন সমাজ সেবক। ইতিমধ্যে বেশ কিছু সমাজ সেবামূলক কাজ করেছেন। ডঃ ব্যানার্জী নিজে একটি “Serving The God Foundation” নামে একটি স্বেচ্ছা সেবী সংস্থা চালান। তিনি পুরুলিয়ার মনিহারা নামে একটি প্রত্যন্ত গ্রামে মাসের প্রথম রবিবার যান। সেখানে তিনি ২৫০ জনের কাছাকাছি মানুষের বিনে পয়সায় চিকিৎসা করেন। বিনে পয়সায় সব ধরনের টেস্ট করান। বিনে পয়সায় যত সম্ভব ঔষুধ বিতরণ করেন। এছাড়াও মাসের অন্য তিনটি/চারটি রবিবার উনি টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে ওখানে চিকিৎসা করেন। ওখানকার গরীবগুর্ব মানুষ জন ওনাকে ভগবানের চোখে দেখেন।

এমন বিভিন্ন প্রশ্নের অকপট উত্তর দিলেন ডঃ শান্তনু ব্যানার্জী।

প্রশ্ন:- ভারতবর্ষ সহ এশিয়ার দেশগুলিতে ডায়াবেটিস বৃদ্ধির প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।ডায়াবেটিস সংক্রান্ত বিষয়ে অধিকাংশ সাধারণ মানুষ ওয়াকিবহাল থাকে না। এইসব বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সজাগ ও সতর্ক করার জন্য ডাক্তারের ভূমিকা কি? এক্ষেত্রে কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে?

উত্তর:- সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে যাদের ৪৫ থেকে ৫০ বয়সের মধ্যে বয়স। বছরে অন্তত একবার সুগার টেস্ট করা উচিৎ। এবং এটা ধারাবাহিক ভাবে করে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বাবা মা দাদু কারুর যদি সুগারের ইতিহাস থেকে থাকে। তাহলে মাঝে মাঝে সুগার পরীক্ষা করা উচিৎ। নাহলে সুগার বাড়তে বাড়তে সম্ভাবনা থাকে যেকোনো জটিল দিকে চলে যাওয়ার। সেক্ষেত্রে ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং করাটা উচিৎ। ভারতের অধিকাংশ মানুষের ডায়াবেটিস প্রবণতা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামে যারা দুবেলা ঠিক মতো খেতে পারে না। তাদেরও সুগার হাই। সুগার এখন কি শহর কি গ্রাম সর্বত্র মহামারীর মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক্ষেত্রে এই সুগারকে প্রতিহত করাই হল আসল চিকিৎসা। আপনি যদি আটকাতে পারেন। তাহলে অর্দ্ধেক সমস্যা দূরীভূত হবে। অর্থাৎ চিকিৎসার থেকে প্রতিহত করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর সুগার বাড়লে ওষুধ খেতে হবে। এটা ভাবার কারণ নেই, ওষুধ খেলেই অসুবিধা দেখা দিতে পারে। কিছু মানুষ এভাবেই ব্যাপারটিকে দেখেন। বরং ওষুধ খেলে সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যেটা সবসময় প্রয়োজন। আর সুগারকে অবহেলা করলে তা হবে আত্মহত্যার সামিল।   

ডঃ শান্তনু ব্যানার্জী M.D(Med),M.Diabetology
Consultant Physician & Diabetologist