তামাকের ব্যবহার ক্যান্সার, ফুসফুসের  ও কার্ডিওভাসকুলার (হৃৎপিণ্ড-রক্তনালী সংক্রান্ত) রোগের মত দুরারোগ্য ব্যাধির কারণ। “সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাতীয় দ্রব্য (বিজ্ঞাপনে নিষেধ ও ব্যবসায়িক নীতি, উৎপাদন ও সরবরাহ) আইন ২০১৩” নামক আইনের মাধ্যমে ভারত সরকার জাতীয় তামাক-নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী কার্যকরী করেছে। তামাক নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রথাগত ফ্রেমওয়ার্ক (ডব্লু এইচ ও -এফ  সি টি সি)-কে অনুমোদন করেছে।

তামাক সেবনের অপকারিতা

তামাক সেবনের অপকারিতা সম্পর্কিত জনসমাজে আরো বড় মাপের সচেতনতা গড়ে তুলতে ও তামাক নিয়ন্ত্রণের আইনের কার্যকরী প্রয়োগকে সহজতর করতে পরিবার ও কল্যাণ মন্ত্রক ‘জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচী (এন টি পি সি)’ নামক কর্মসূচী গড়ে তোলে যা রাজ্য / কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে এই ” তামাক সেবন  নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা ” কর্মসূচী ।

লক্ষ্য

তামাক সেবনের অপকারিতা ও তামাক নিয়ন্ত্রণের আইন সম্পর্কে আরো বেশী সচেতনতা গড়ে তুলতে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকরী প্রয়োগকে সহজতর করে তুলতে। তামাক সেবন কমানো ও মৃত্যু কমানো