সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ

সোমনাথ মন্দিরের আরাধ্য দেবতা শিব । তিনি সোমেশ্বর মহাদেব নামেও পরিচিত।

পুরাণ অনুসারে, ….. তিনি সত্য যুগে সোমেশ্বর মহাদেব ভৈরবেশ্বর নামে,  ত্রেতা যুগে শ্রাবণিকেশ্বর  নামে ও দ্বাপর যুগে শ্রীগলেশ্বর নামে পরিচিত ছিলেন। চন্দ্র তাঁর স্ত্রী রোহিণীর উপর অত্যধিক আসক্ত ছিল।তাই  তাঁর অন্য ছাব্বিশ স্ত্রীকে উপেক্ষা করতে থাকে। এই ছাব্বিশ জন ছিল দক্ষ প্রজাপতির কন্যা। এই কারণে দক্ষ তাঁকে ক্ষয়িত হওয়ার অভিশাপ দেয়। চন্দ্র এই অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য প্রভাস তীর্থে চন্দ্র শিবের আরাধনা করে।

সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ

শিব তার আরাধনায় সন্তুষ্ট হয়ে তাঁর অভিশাপ অংশত নির্মূল করে। এরপর ব্রহ্মার উপদেশে কৃতজ্ঞতাবশত চন্দ্র সোমনাথে একটি স্বর্ণ শিবমন্দির নির্মাণ করে। পরে  রাবন রৌপ্যে, ও কৃষ্ণ চন্দনকাষ্ঠে এবং রাজা ভীমদেব প্রস্তরে মন্দিরটি পুনর্নিমাণ করেছিল। অতীতে এই শিব মন্দির বারবার বিদেশী শক্তি দ্বারা আক্রান্ত হয়। প্রায় পাঁচবার বা তার বেশিবার এই মন্দির পুনর্নির্মিত  করা হয়। গুজরাটের অবশ্য দর্শণীয় স্থানগুলির অন্যতম হল সোমনাথ।