উখিমঠ

হিমালয়ান রেঞ্জের অন্যতম প্রধান আকর্ষন হল উখিমঠ। এটি ভারতের অন্যতম  সেরা একটি পাহাড়ি পর্যটন কেন্দ্র। এটি গাড়োয়াল হিমালয়ান রেঞ্জের পাদদেশে অবস্থিত। উখিমঠ উত্তরাখন্ড রাজ্যের একটি শহর। উখিমঠ রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩১৭ মিটার  উচ্চতায় অবস্থিত। এটি উত্তরাখন্ডের অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। সারা বছর এখানে প্রচুর পর্যটক ঘুরতে আসেন। উখিমঠ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরা গাড়োয়াল হিমালয়ান রেঞ্জের একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটকরা এখানকার সৌন্দর্য্য তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেন। এখানে শীতকালে ৬ মাসের জন্য কেদারনাথ ও মদমহেশ্বর থেকে ভগবান শিবের মূর্তি নিয়ে এসে রাখা হয়।

গাড়োয়াল হিমালয়ান রেঞ্জের পাদদেশে অবস্থিত, উখিমঠ উত্তরাখন্ড রাজ্যের , রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩১৭ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।

এই মূর্তি আনার সময় শোভা যা্ত্রা সহকারে মিছিল করে আনা হয়। এই উপলক্ষে পচুর লোক সমাম ঘটে। এটি দেরাদুন থেকে ২২৪ কিমি দূরে অবস্থিত। যোশিমঠ থেকে ১৩০ কিমি দূরে, রুদ্রপ্রয়াগ  থেকে ৪৫ কিমি দূরে, হরিদ্বার থেকে ২০৫ কিমি দূরে,উত্তরকাশি থেকে ১৯৬কিমি দূরে,ঋষিকেশ থেকে ১৮৪ কিমি দূরে,গৌরিকুন্ড থেকে ৪৬ কিমি দূরে, মুসৌরি থেকে ২২৭ কিমি দূরে, নিউ তেহেরি থেকে ১৬০ কিমি দূরে অবস্থিত। পর্যটকরা এখানে সপ্তাহান্তের ছুটি কাটানোর জায়গা হিসেবে আসেন। এছাড়াও অনেকে এখানে নতুন বিয়ের পর হানিমুনে আসেন। এটি আশেপাশের কাছাকাছি বেশ কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্রের জন্য বিখ্যাত। উখিমঠে অনেকগুলি আকর্ষণীয় ঘোরার জায়গা বর্তমান। প্রচুর পর্যটক জায়গাটি ঘুরতে আসেন। এখানকার বিশ্বনাথ মন্দির,দেওরিয়া তাল,সারি গ্রাম,গৌরিকুন্ড,গুপ্ত কাশি তৎসহ চারপাশের পাহাড়,পাহাড়ের চূড়া এবং সবুজ কার্পেটে মোড়া প্রকৃতি অপরূপ রূপ ধারন করেছে।যা উখিমঠের একটি প্রধান আকর্ষন।

উখিমঠের ব্যবহৃত ভাষা

হিন্দি,গাড়োয়ালি।

স্থানীয় পুলিশ স্টেশন

  • পুলিশ স্টেশন উখিমঠ(যোগাযোগ-০১৩৬৪২৬৪২৫০)

হসপিটাল

  • সরকারী হসপিটাল
  • পিএইচসি উখিমঠ

পোস্ট অফিস

পোষ্ট অফিস উখিমঠ,পিন-২৪৬৪৬৯

কাছাকাছি বাজার

গুপ্তকাশি বাজার

হোটেলস

উখিমঠ বা তার আশেপাশে কিছু হোটেল,গেস্ট হাউজ বা থাকার জায়গা বর্তমান। ঘরভাড়া এখানে ১০০০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। এখানে দেওয়া সমস্ত হোটেলের ভাড়া ২০০০ টাকার কম।  মরসুমে ঘরের ভাড়া আরো বেড়ে যায়। আপনি অবশ্যই আগে থেকে ঘড় বুক করে যান।

কিছু হোটেলের নাম

  • হোটেল দেব ভূমি
  • জিএনভিএন ট্যুরিস্ট গেস্ট হাউজ উখিমঠ (যোগাযোগ-০৯৫৬৮০০৬৬৯২)
  • শিবালিক গেস্ট হাউজ
  • দেব দর্শন হোটেল এন্ড রেস্ট্রুরেন্ট
  • অনুশ্রী লজ
  • হিমালয়ান ইকো লজ
  • অনুশ্রী লজ
  • ম্যাগপাই হোটেল
  • হিমালয়ান মাউন্টেন হোম স্টে
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ৮
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ৭
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ৬
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ৫
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ৪
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ৩
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ২
  • মদমহেশ্বর হোম স্টে নম্বর ১
  • মদমহেশ্বর পর্যটন সমূহ

* * হোটেল সক্রাংন্ত কোনো ভুল তথ্য বা কোনো ভুল ব্যবহার হয়ে থাকলে তার দায় ask2q.com এর উপর বর্তাবে না।

উখিমঠে যাওয়ার সেরা সময়

গরমে এখানে তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রী থেকে ২৯ ডিগ্রীর আশেপাশে থাকে। শীতে গড় তাপমাত্রা ৬-১৫ ডিগ্রী পর্যন্ত হয়। শীতে এখানে ভাল ঠান্ডা। এখানে সারা বছরই ঘোরা যায়। তবে গরমে ও শীতে ঘুরতে বেশী ভাল লাগবে।

গাড়িতে স্থানীয় ভ্রমণ

আপনি স্থানীয় আশেপাশের বা কিছুটা দূরের পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে চাইলে আগে থেকে গাড়ী বুক করুন। গাড়ীর ভাড়া এখানকার নির্দিষ্ট ধাপে ঠিক করা আছে। যেমন ক) টাটা ইন্ডিকা-প্রতি ঘন্টায় ৮.৫০ টাকা, খ)টাটা ইন্ডিগো/মারুতি সুইফ্ট প্রতি ঘন্টায় ৯.০০ টাকা, গ)ট্যাভেরা প্রতি ঘন্টায় ১১ টাকা,ঘ)ইনোভা প্রতি ঘন্টায় ১২ টাকা, এর সঙ্গে চালকের জন্য বরাদ্দ ৩০০ টাকা। আপনি সারা দিন ধরে গাড়ীতে ঘুরতে পারেন।  অবশ্য দুরবর্তী ঘোরার ক্ষেত্রে টাকাটা একটু বেশী হতে পারে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পর্যটকরা কয়েকদিনের জন্য গাড়ী বুক করে নেয়।

স্থানীয় কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র

দেওরিয়াতাল

দেওরিতাল

দেওরিতাল হল উখিমঠের একটি অবশ্য দ্রষ্টব্য স্থানগুলির অন্যতম। এটি গোপেশ্বর এবং উখিমঠ রাস্তার ধারে অবস্থিত। এটি রুদ্রপ্রয়াগ জেলায় অবস্থিত। সারি গ্রাম থেকে ২.৫ কিমি ট্রেকিং করে দেওরিয়াতালে পৌছাতে হয়। ওঠা ও নামাতে সময় লাগে কমবেশী ৩ ঘন্টা। এখানে পাহাড়ের উপর একটি জলাশয় রয়েছে। সেখানকার সবুজ জলে মাছও রয়েছে। আপনি এখানে ছবির মতো সুন্দর জায়গার স্বাক্ষি থাকতে পারবেন। পেছনে রয়েছে বরফাবৃত পাহাড়ের চূড়া। লেকটি পাইনের জঙ্গলাবৃত। পেছনে স্পষ্ট দেখা যাবে চৌখাম্বা পর্বত। কথিত পঞ্চপান্ডবের ভীম এই লেকটি খনন করেছিলেন। পঞ্চপান্ডব যখন স্বর্গের পথে রওনা দিয়েছিলেন, তখন এখানে কিছুদিন তারা ছিলেন। পথে জলকষ্ট হওয়ায় ভীম এটি খনন করেন। এটি এখানকার অন্যতম পর্যটক আকর্ষণ কেন্দ্র। আপনার এখানে সুযোগ রয়েছে তাবু খাটিয়ে থাকার জন্য। এটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর একটি জায়গা যা সকল প্রকৃতিপ্রেমী ও পাখি পর্যবেক্ষকদের ভীষণ ভাল লাগবে।  আপনি এখানে ছবির মতো সুন্দর জায়গার স্বাক্ষি থাকতে পারবেন।

সারি গ্রাম

সারিগ্রাম

সারিগ্রাম হল উখিমঠের একটি অবশ্য দ্রষ্টব্য স্থানগুলির অন্যতম। দেওরিয়াতালের ট্রেকিং এখান থেকে শুরু হয়। এখান থেকে পাহাড়ের উপর ২.৫ কিমি ট্রেক করে   গেলে পড়বে দেওরিয়াতাল। সারিগ্রাম থেকে দেওরিয়াতাল পৌছাতে সময় লাগে ঘন্টা খানেক। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ২৪৩৮ মিটার। এই অসাধারণ সৌন্দর্য্য মন্ডিত সারি গ্রাম দেখে মনে পৃথিবীর সমস্ত সৌন্দর্য্যের ভান্ডার যেন ঢেলে দিয়েছে হিমালয়ের এই অংশে। এটি উখিমঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটক আকর্ষন কেন্দ্র ।

ওঙ্কার রত্নেশ্বর মহাদেব

উখিমডর একটি অবশ্য দ্রষ্টব্য স্থানগুলির অন্যতম ওঙ্কার রত্নেশ্বর মহাদেব বা দেবারিয়া নাগ মন্দির। এই মন্দিরটি নাগ দেবতার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। এটি দেওরিয়া তালের পথে অবস্থিত। এখান থেকে আপনি সমস্ত সারি গ্রাম দেখতে পাবেন।

উখিমঠ ওঙ্কারেশ্বর মন্দির

উখিমঠের প্রধান দর্শনীয় স্থান হল ওঙ্কারেশ্বর মন্দির। মহাকাব্য মহাভারত অনুসারে কৃষ্ণের পৌত্র অনিরুদ্ধের সঙ্গে বনাসুর নামক দৈত্যের কন্যা ঊষার বিবাহ হয়েছিল এখানে। পরবর্তী সময়ে ঊষার নাম অনুসারে এই জায়গাটির নামকরণ হল ঊষামঠ।  আরো পরে ঊষামঠ নামটি পরিবর্তিত হয়ে হয় উখিমঠ। শীতকালে ৬ মাসের জন্য কেদারনাথ ও মদমহেশ্বর থেকে দুটি মূর্তি নিয়ে এসে রাখা হয় ওঙ্কারেশ্বর মন্দিরে।  উখিমঠ ওঙ্কারেশ্বর মন্দির ভারতের অন্যতম পুরোনো মন্দির হিসেবে গণ্য হয়।   মন্দিরটি ভগবান শিবের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত হয়েছে। মন্দিরের সুন্দর স্থাপত্যের নিদর্শন পাওয়া যায়। এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৩০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।  যে সমস্ত শারিরীক ভাবে অক্ষম বা দুর্বল ব্যক্তি কেদারনাথ বা মদমহেশ্বর যেতে পারেন না,তারা ওঙ্কারেশ্বর মন্দিরে সহজেই যেতে পারেন। এটি উখিমঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটক আকর্ষন কেন্দ্র ।

উখিমঠ ওঙ্কারেশ্বর মন্দির

বিশ্বনাথ মন্দির,গুপ্তকাশি

উখিমঠের অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান হল গুপ্তকাশির বিশ্বনাথ মন্দির। এটি উখিমঠ থেকে ১৬ কিমি দূরে অবস্থিত। এটি রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গুপ্তকাশিতে অবস্থিত। সারা  বছর এখানে প্রচুর পর্যটক ঘুরতে আসেন। শুধু পর্যটকই নয়। সারা বছর এখানে ভক্তবৃন্দের ভীড় থাকে। গুপ্তকাশির বিশ্বনাথ মন্দির কাশির বিশ্বনাথ মন্দিরের আদলে  তৈরী। মন্দিরের ভেতর কাল ভৈরবের ও নন্দীর মূর্তি বর্তমান। পুরাণ মতে ভগবান শিব দেবী পার্বতীর সঙ্গে বৈবাহিক প্রক্রিয়ার কর্মাদি এখানে সম্পন্ন করেছিলেন। এটি উখিমঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটক আকর্ষন কেন্দ্র ।

বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রাঙ্গনের অর্ভন্তরে মণিকর্ণিকা কুন্ড নামক একটি জলাশয় রয়েছে। মন্দিরের সামনের দিকে একটি শিব লিঙ্গ বর্তমান। যার উপর দুটি প্রাকৃতিক ঝর্ণা থেকে অনবরত জল ঝড়ছে। এটি ভারতের একটি পবিত্র  তীর্থ ক্ষেত্র।

গৌরিকুন্ড মন্দির

উখিমঠের অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান হল ওঙ্কারেশ্বর মন্দির।  এটি উখিমঠ থেকে ২৮ কিমি দূরে অবস্থিত। গৌরীকুন্ড দেবী গৌরী ব পার্বতীর সঙ্গে যুক্ত। এখানে দেবী পার্বতীর একটি মন্দির রয়েছে। এটি কেদারনাথ যাওয়ার পথে পড়ে। এটি কেদারনাথ ট্রেকিংয়ের বেস ক্যাম্প হিসেবে গণ্য হয়। এটি ভারতের অন্যতম পবিত্র স্থান। পুরান মতে দেবী পার্বতী এই কুন্ডে স্নান করতেন। তাঁর দেহ থেকে নিসৃত অংশ দিয়ে গণেশের মূর্তি স্থাপন করেন। পরে তাঁর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি গণেশকে আদেশ দেন যে তাঁর স্নানের সময় কেউ যেন অন্দরে প্রবেশ না করেন। এদিকে শিব আসলে প্রধান দুয়ারে দন্দায়মান গণেশ তাঁকে যেতে বাধা দেন। এই অবস্থায় ক্রোধান্বিত শিব তাঁকে ত্রিশুল ছুঁড়ে মাথা কেটে ফেলেন। এই দেখে দেবী পার্বতী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি শিবকে বললে পর শিব একটি হাতির মাথা জুড়ে তাঁর দেহে প্রান প্রতিষ্ঠা করেন। সেই থেকে গণেশের হাতির মাথা। এই সমস্ত ঘটনার স্বাক্ষী হল গৌরিকুন্ড। এটি উখিমঠের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটক আকর্ষন কেন্দ্র ।

কিভাবে পৌছাবেন

ট্রেন

কলিকাতা থেকে ট্রেন

উখিমঠ যাওয়ার কোনো সরাসরি ট্রেন নেই। এর নিকটবর্তী রেলওয়ে স্টেশন হল দেরাদুন বা হরিদ্বার। কলিকাতা থেকে হরিদ্বার বা দেরাদুন যাওয়ার কিছু ট্রেন রয়েছে। আপনি হরিদ্বার বা দেরাদুন থেকে গাড়ী ভাড়া করে পৌছিয়ে যান উখিমঠ।

1.     কুম্ভ এক্সপ্রেস ১২৩৬৯(সুপার ফাস্ট) হাওড়া.. দুপুর ১.০০- হরিদ্বার বিকেল ৪.১৫, সপ্তাহে ৫ দিন, সময়-২৭.১৫ ঘন্টা।

2.     উপাসনা এক্সপ্রেস ১২৩২৭(সুপার ফাস্ট) .. হাওড়া .. দুপুর ১.০০- হরিদ্বার বিকেল ৩.৫০, সপ্তাহে ২ দিন, সময়-২৬.৫০ ঘন্টা।

3.     দুন এক্সপ্রেস ১৩০০৯(এক্সপ্রেস)হাওড়া.. রাত ৮.২৫ – হরিদ্বার সকাল ৪.৫৫, সপ্তাহে প্রতিদিন, সময়-৩২.৩০ ঘন্টা।

দিল্লী থেকে ট্রেন

1.     নিউ দিল্লী দেরাদুন শতাব্দী ১২০১৭(শতাব্দী) নিউ দিল্লী.. সকাল ৬.৪৫- হরিদ্বার সকাল ১১.৩০, সপ্তাহে প্রতিদিন, সময়-৪.৪৫ ঘন্টা।

2.     নিউ দিল্লী দেরাদুন জন শতাব্দী ১২০৫৫(জন শতাব্দী) নিউ দিল্লী.. দুপুর ৩.২০- হরিদ্বার,  রাত ৭.৩৩, সপ্তাহে প্রতিদিন, সময়-৪.১৩ ঘন্টা।

3.      নন্দা দেবী এসি এক্সপ্রেস ১২২০৫(এসিএসএফ) নিউ দিল্লী.. রাত ১১.৫০ – হরিদ্বার সকাল ৩.৫৫, সপ্তাহে প্রতিদিন, সময়-৪.০৩ ঘন্টা।

মুম্বাই থেকে ট্রেন

বান্দ্রা টার্মিনারর্স হরিদ্বার  এসএফ এক্সপ্রেস ২২৯০৭(সুপার ফাস্ট)..বান্দ্রা টার্মিনারর্স..দুপুর ১.০৫- হরিদ্বার বিকেল ৩.৫০, সপ্তাহে ১ দিন, সময়-২৬.৪৫ ঘন্টা।

নিউজলপাইগুড়ি থেকে ট্রেন

নিউজলাইগুড়ি থেকে হরিদ্বার যাওয়ার কোনো সরাসরি ট্রেন নেই। আপনাকে ট্রেনে লস্কর যেতে হবে। সেখান থেকে মাত্র ২৭ কিমি দুরত্বে হরিদ্বার। সেখান থেকে গাড়ি কিংবা বাসে যেতে পারবেন হরিদ্বার।

লোহিত এক্সপ্রেস ১৫৬৫১(এক্সপেস) ..নিউজলপাইগুড়ি ..রাত ৯.৫০- লস্কর, সকাল ৩.০২, সপ্তাহে ১ দিন, সময় ২৯.১২ ঘন্টা।

এয়ারপোর্ট

উখিমঠ থেকে দেরাদুনের জলি গ্র্যান্ট এয়ারপোর্টের দুরত্ব ১৯৮ কিলোমিটার।

গাড়ী

উখিমঠ যাওয়ার জন্য আপনি হরিদ্বার/রিষিকেশ/দেরাদুন/মুসৌরি/যোশিমঠ থেকে একটি গাড়ী ভাড়া করতে পারেন সহজেই।  রাস্তা মোটামুটি ভালই। এই রাস্তায় আপনি সহজেই যাতাযাত করতে পারবেন।

বাস

এখানে হরিদ্বার,দেরাদুন,রিষিকেশ সহ আশেপাশের অঞ্চলে যেতে হলে বেশ কিছু স্টেট বাস সার্ভিস ও প্রাইভেট বাস সার্ভিস রয়েছে। এখানে বাস সার্ভিস পর্যাপ্ত নয়।

খাদ্য:

পুরী, ডাল,রুটি, ভাত, বিভিন্ন সব্জি, মিষ্টি এখানে সহজেই মেলে। খাওয়ারের মূল্য খুব বেশীও নয়। আবার কম নয়।

দেওরিতাল

স্পেশাল খাওয়ার:

  • মোমো
  • লস্যি
  • ইত্যাদী

উখিমঠে কিছু রেস্ট্রুরেন্টর নাম

  • পদম সুইটস্
  • অন্নপূর্ণা হোটেল এন্ড চাউমি সেন্ট্রার
  • বাবা জি কা ধাবা
  • মোক্স কাফে
  • নন্দী কুন্ড তাল
  • হোটেল দেব দর্শন
  • ইত্যাদী

স্থানীয় যানবাহন

  • ট্রেকার
  • ক্যাব

কাছাকাছি ঘোরার জায়গার দুরত্ব:

  • জাঙ্কিচাট্টি ২৯৮কিমি
  • উত্তরকাশি ১৯৬কিমি
  • রুদ্রপ্রয়াগ ৪৬কিমি
  • মুসৌরি ২২৭কিমি
  • বারকোট ২৬০কিমি
  • রিশিকেষ ১৮৪ কিমি
  • দেরাদুন ২২৪ কিমি
  • হরিদ্বার ২০৫ কিমি
  • নিউ তেহেরী ১৬০ কিমি
  • যোশিমঠ ১৩০ কিমি
  • কেদারনাথ ১২৫ কিমি
  • গুপ্তকাশি ১৮০ কিমি
  • গৌরিকুন্ড ৪৬ কিমি
  • বদ্রীনাথ ১৭০ কিমি
  • চোপতা ৪৬ কিমি
  • দেবপ্রয়াগ ১১০ কিমি
  • আউলি ১৩৩ কিমি
  • ইত্যাদী