হিং অনেক রোগের নিরশণ করে

হিং বলতেই প্রথমে মনে পড়ে হিংয়ের কচুরী। গরম গরম হিংয়ের কচুরী। তার সাথে ছোলার ডাল বা আলুর তরকারী। জিবে জল চলে আসে। যদিও বাঙলি পরিবারে হিংয়ের প্রয়োগ যথেষ্টই কম। বাঙালি খুব একটা হিং ব্যবহার করে না। কিন্তু একটি উপকারী ভেষজ হিসেবে আমাদের জীবনে হিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

হিং ‘ Asafoetida ‘


বৈজ্ঞানিক নাম: Ferula assa-foetida
  • অনেকের দাঁতে নানান রকম সমস্যা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সামান্য ঈষদষ্ণো জলে লেবুর সঙ্গে হিং মিশিয়ে খেলে দাঁতের সমস্যা অনেকটা মেটে।
  • ঠিক ভাবে হিং খেতে পারলে তা বায়ুনাশক ও কফনাশক হয়।
  • দাঁতে ব্যথা করছে। প্রথমে হিং ভেজে তা চূর্ণ করে দাঁতের গোড়ায় দিলে ব্যথা থাকে না।
  • ঠিকমতো হিংয়ের জল খেলে মাইগ্রেন ও মাথা ব্যথার যন্ত্রণা কমতে পারে।
  • যারা তরকারীতে পেঁয়াজ রসুন খান না। তারা তরিতরকারীতে হিং দিতে পারেন। স্বাদটা ভাল লাগবে।
  • রান্নাতে হিংয়ের প্রয়োগে রান্না সুগন্ধ, সুস্বাদু হয়। শুধু তাই নয় রান্না সহজ পাচ্য হয়।
  • কাশিতে কষ্ট পাচ্ছেন। আদা মধু হিং মিশিয়ে খান। কাজ দেবে।
  • নিয়মিত হিংয়ের জল খেলে কিডনী পরিষ্কার করে।
  • যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে। তাদের অবশ্যই হিং খাওয়া উচিৎ। কারণ হিং অবশ্যই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত রাখে।
  • অনেক সময় হিংয়ের সেবনে সোয়াইন ফ্লু থেকে মুক্তি পায়।
  • যারা কোষ্ঠাকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন। হিং ভেজে তা জলে গুলে নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিণ্য সারে। কৃমি থাকলে তা দূর হয়।
  • হৃদরোগের  রোগীদের হিং খাওয়া ভাল।