) বনগাঁও বিভূতি ভূষণ ঘাট

উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁওতে অবস্হিত বিভূতি ভূষণ ঘাট। বনগাঁও স্টেশনের কাছাকাছি অবস্হিত বিভূতি ভূষণ ঘাট। আপনি শিয়ালদহ থেকে বনগাঁও লোকালে সোজা চলে আসুন বনগাঁও স্টেশনে। সেখান থেকে অটো, টোটো,ভ্যানে পৌছিয়ে যাবেন বিভূতি ভূষণ ঘাট। আবার রাস্তায় যশোর রোড ধরে গেলে পৌছে যাবেন বনগাঁও। কলিকাতা থেকে এর দুরত্ব প্রায় ৮০ কলোমিটারের মতো। সময় লাগে ২.৩০ ঘন্টার মতো। নিকটবর্তী মানুষজন তো আছেই এখন দূরদুরান্ত থেকে লোক এখানে আসে পিকনিক করতে বা ঘুরতে। বিভূতিভূষনের নামাঙ্কিত অভয়ারণ্য রয়েছে পাশে। সেটিও ঘুরে দেখতে পারেন। চারিদিকে সবুজের সমারোহ। নানা ধরনের গাছের ভীড়। পিকনিক করতে এসে বা ঘুরতে এসে সারাটি দিন কাটিয়ে যাওয়ার জন্য বিভূতি ভূষণ ঘাট অসাধারণ জায়গা। এটি বিভূতিভূষণ বন্ধ্যোপাধ্যায়ের জন্য বিখ্যাত। এখানে বিভূতিভূষণ বন্ধ্যোপাধ্যায়ের একটি মূর্তি স্হাপন করা হয়েছে। জনপ্রিয় পিকনিক স্পটের একটি হল এটি। ওখানে একটি ঘাট আছে। পাশে নদীর উপর ঝুলনা ব্রীজ বর্তমান। নদীর আশেপাশে কিছু পিকনিক স্পট আছে। গাড়ী পার্কিং এর ব্যবস্হা আছে।

) বাবুর হাট

বাবুর হাট একটি আদ্যপ্রান্ত গ্রাম্য এলাকা। সপ্তাহ শেষের দুটো দিন পরিবারের সঙ্গে নিরিবিলিতে কাটিয়ে আসার জন্য আদর্শ জায়গা। ঘোরার পাশাপাশি পিকনিক করতে এসে সারাটি দিন কাটিয়ে যাওয়ার জন্য বাবুরহাট অসাধারণ জায়গা। তাই দিনদিন এর জনপ্রিতা বাড়ছে। উত্তর ২৪ পরগণা জেলার একটি জনপ্রিয় জায়গা বাবুর হাট। এটি বাস রাস্তা সঙ্গে ভালো ভাবে যুক্ত। কলিকাতা থেকে এর দুরত্ব ৫০ কিলোমিটার। মালঞ্চ থেকে এর দুরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার। শহুরে জীবনের একঘেয়েমি থেকে একটু নিরিবিলিতে কাটিয়ে আসার জন্য বাবুরহাট একটি সুন্দর জায়গা।

গ্রামের পথ ধরে হাঁটা,পাখি কোলাহল শোনা,মাছ ধরা দেখা সঙ্গে প্রকৃতির বিশুদ্ধ আবহাওয়ায় প্রাণ ভরে আঘ্রাণ নেওয়া একটি অনন্য অভিজ্ঞতা। এখানে থাকার জন্য কিছু রিসোর্ট আছে। নিকটবর্তী মানুষজন তো আছেই এখন দূরদুরান্ত থেকে লোক এখানে আসে পিকনিক করতে বা ঘুরতে। বিশেষ করে শীতে এখানে জনসমাগম নেহাৎ কম হয় না। সারা দিনের পিকনিকের এর জন্য আপনি আগে থেকে এখানে বুকিং করে নিন। এটি বড় রাস্তার পাশে অবস্হিত। মিঁনাখা থেকে বাসন্তি হাইওয়ে ধরে সহজেই পৌছে যাবেন বাবুর হাট। কলিকাতা থেকে মালঞ্চ হয়ে সহজেই পৌছে যাওয়া যাবে বাবুর হাট।