দীর্ঘ তিন দশকের বেশী সময় ধরে বাঙালীকে তার সুরের জাদুতে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। এতদিন পরে Ask2Q.com-এ সঞ্জয় কুমার দাসের সাক্ষাৎকারে উঠে এলো ওনার নিজের জীবনের অনেক অসাধারণ সুর , অনেক কিছু মনে পড়ে গেল সুরের তালে ,

শ্রীমতী ‘সঙ্গীতা বল’ এর সংগে।

অন্যতম প্রতিশ্রুতিমান গায়িকা “সঙ্গীতা বল ” গান youtube এ দেখুন ও শুনুন

অন্যতম প্রতিশ্রুতিমান গায়িকা “সঙ্গীতা বল “এর সাক্ষাৎকার ” , ৩০ বছরেরও বেশি তাঁর মিউজিক্যাল কেরিয়ার।

‘Ask2Q.com’সমসাময়িক ঘটনার বিশ্লেষণ, অভিমত, ও মতামত। দেশের অনলাইন বাংলা সংবাদপত্র/পত্রিকা , তাঁর সঙ্গে কথা বললেন সঞ্জয় কুমার দাস ।
এরকমই নিজের জীবনের অনেক কথা, যা সচরাচর কোনো সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন না, তাই উঠে এল।


সঙ্গীত জীবনে তিনি পেয়েছেন অসাধারণ সাফল্য, খ্যাতি ও পুরষ্কার। গ্রাম বাংলার মানুষ তার স্টেজে প্রদর্শন করার খবরে বহু দূর দূরান্ত থেকে চলে আসত।গান দিয়ে তিনি অসংখ্য শ্রোতার মন জয় করেছিলেন।নিয়মিত সঙ্গীত সাধনা তাকে পৌছে দিয়েছে উচ্চতার শিখরে। শিক্ষক হিসেবে যাদের কাছে তিনি তালিম নিয়েছিলেন তারা হলেন “দেবীরঞ্জন ব্যানার্জী” ও রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী “দেবব্রত বিশ্বাস”। তিনি ছিলেন সঙ্গীত বিষারদ ও সঙ্গীত প্রভাকর। ওনার বাবা ছিলেন বিখ্যাত তারাপদ চক্রবর্তীর ছাত্র হরিপদ সাহা। সঙ্গীতের পরিবারে অন্যান্য বোনেদের মতো সেও গানকে আঁকড়ে বেড়ে উঠেছে। বাবা উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পি ও শিক্ষক হরিপদ সাহা। কিরানা ঘরানায় বাবার কাছেই তার হাতে খড়ি। সঙ্গীতের ‘অআকখ’ থেকে বাবার অনুপ্রেরণায় ও শিক্ষায় বলীয়ান হয়ে সে অনেক দুরের পথে এগিয়ে গিয়েছে।

আমারিকা কানাডা সহ দেশে বিদেশে নানান জায়গায় অনুষ্টান করে উনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন । এত অপূর্ব সব গানের ডালি উপহার পেয়েছেন দর্শক, সঙ্গীতা বলর কাছ থেকে।